শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টার হামের উপসর্গ নিয়ে এবার একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন দুর্ঘটনা: ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন চীন মৈত্রী সম্মেলন ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট শুক্রবার বাংলাদেশ-পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট, কী বলছে পরিসংখ্যান? লামায় বিশেষ অভিযানে একটি জীবিত মায়া হরিণ উদ্ধার টমটম ড্রাইভার মৃত্যু ফান্ডের প্রথম অনুদান বিতরণ টমটম সমবায় সমিতির সাদুল্লাপুর কিস্তির টাকা না পেয়ে গ্রাহকের মাথা ফাটালেন ব্র্যাকের কর্মী সিলেট লালে লাল, বাবা শাহজালাল’ ধ্বনিতে মুখর শাহজালালের মাজার নারায়ণগঞ্জে চাহিদার তুলনায় কোরবানি পশু বেশি ক্রিকেটের নতুন সভাপতি পাচ্ছে ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা এমসিসি
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

অধ্যাপক ও লেখক হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি অধরা

অধ্যাপক ও লেখক হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি অধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকায় বাংলা একাডেমির উল্টো পাশের ফুটপাতে ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে জঙ্গি হামলায় আহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও লেখক হুমায়ুন আজাদ। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১২ আগস্ট তিনি মারা যান। এ ঘটনায় করা দুটি মামলায় দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত বছরের ১৩ এপ্রিল চার আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। তাদের মধ্যে দুই আসামি কারাগারে থাকলেও দু’জন এখনও পলাতক। আইনি মারপ্যাঁচ এড়িয়ে কবে রায় কার্যকর হবে- সেদিকে তাকিয়ে হুমায়ুন আজাদের পরিবার।

এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন আজাদের মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উপপরিচালক মৌলি আজাদ। তিনি বলেন, ‘আমরা রায় পেয়েছি। কিন্তু মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক। দু’জন কারাগারে থাকলেও তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। কবে এ আপিল শুনানি হবে; কবে রায় কার্যকর হবে- তা অনিশ্চিত।’ তিনি হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের করা আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেন। মৌলি আজাদ বলেন, তাঁর বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল অধ্যাপক এবং লেখক ছিলেন। তাঁকে জঙ্গিরা যেখানে হামলা করেছিল, সেই সড়কটির নাম যেন তাঁর বাবার নামে করা হয়। এ জন্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।

গত ১৩ এপ্রিল বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলার রায় দেন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আল-মামুন। রায়ে চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তারা হলো- কারাগারে থাকা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা’য়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) শূরা সদস্য মিজানুর রহমান মিনহাজ ওরফে শফিক ওরফে শাওন এবং আনোয়ারুল আলম ওরফে ভাগনে শহীদ। এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক অপর দু’জন- নুর মোহাম্মদ শামীম ওরফে জেএম মবিন ওরফে সাবু এবং সালেহীন ওরফে সালাউদ্দিন ওরফে সজীব ওরফে তাওহিদ।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু বলেন, দুই আসামি এখনও পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্নিষ্টরা।

সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানায়, ঢাকার আদালত থেকে রায়সহ মামলার নথি আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) বিধি অনুযায়ী হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে। মামলার পেপারবুক তৈরি হলে ক্রমানুসারে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসবে। ঢাকার আদালতের রায়টি ২০২২ সালের। হাইকোর্টে বর্তমানে ২০১৭ সালের ডেথ রেফারেন্সের শুনানি চলছে।

২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে বাংলা একাডেমির উল্টো পাশের ফুটপাতে হামলার শিকার হন অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ। লেখনীর কারণে আগে থেকেই তিনি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির হুমকি পেয়ে আসছিলেন। তাঁকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির রমনা থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। হুমায়ুন আজাদ ২২ দিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসা নেন। সবশেষ জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১২ আগস্ট মারা যান। পরে হত্যাচেষ্টা মামলাটি আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। একই ঘটনায় বিস্ম্ফোরক দ্রব্য আইনেও করা হয় পৃথক মামলা।

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে হত্যা এবং বিস্ম্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক দুটি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি। আসামিদের মধ্যে সালাউদ্দিন ও হাফিজ মাহমুদ গ্রেপ্তার হলেও ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে তাদের ছিনিয়ে নিয়েছিল জঙ্গিরা। সালেহীন পালিয়ে যেতে পারলেও হাফিজ মাহমুদ পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। আলোচিত এই মামলায় প্রথমে হুমায়ুন আজাদের বিরুদ্ধে ওয়াজ করা জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আসামি করা হয়। পরে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com